মেনু নির্বাচন করুন

২১ নং দুর্লভপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
  • প্রতিষ্ঠাকাল
  • ইতিহাস
  • প্রধান শিক্ষক/ অধ্যক্ষ
  • অন্যান্য শিক্ষকদের তালিকা
  • ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক)
  • পাশের হার
  • বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য
  • বিগত ৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল
  • শিক্ষাবৃত্ত তথ্যসমুহ
  • অর্জন
  • ভবিষৎ পরিকল্পনা
  • ফটোগ্যালারী
  • যোগাযোগ
  • মেধাবী ছাত্রবৃন্দ

গ্রামের গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও মুরম্নবিবদের  সাথে আলোচনা করে যতদূর জানা যায় , দুর্লভপুর গ্রামের মোঃ ইয়াছিন মুন্সী সর্ব প্রথম মৌখিক ভাবে বিদ্যালয়টি গুরাপত্তন করেন। ১৯৩৮ সালে জনাব আমীর হোসেন মাষ্টার বিদ্যালয়টি আনুষ্ঠানিক ভাবে চালু করেন। অতপর ০১/০৭/১৯৭৩ সালে বিদ্যালটি জাতীয় করন হয় । এ ভাবেই বিদ্যালয়টি স্থায়িত্ব লাভ করে এবং এলাকায় শিক্ষার আলো বিতরন করে আসছে।

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল
ইলা রানী ভৌমিক ০১৭২০৩০২০৯৭ ilarani1974@gmail.com

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল

শ্রেনী

বালক

বালিকা

মোট

১ম শ্রেনী

১৫

১৬

৩১

 

২য় শ্রেনী

০৯

১৩

২২

 

৩য় শ্রেনী

১২

০৯

২১

 

৪র্থ শ্রেনী

১৩

০৩

১৬

 

৫ম শ্রেনী

০১

০৬

০৭

 

প্রক- প্রাথমিক

১১

১২

২৩

 

মোট

৬১

৫৯

১২০

 

৯০%

অভিভাবক গনের প্রত্যক্ষ ভোটে উক্ত কমিটি গঠিত হয়।

ক্রমিক নং

সদস্য/সদস্যাগনের নাম

পদবী

মোঃ আঃ হান্নান

সভাপতি ও দাতা সদস্য

আঃ বারিক

সহঃ সভাপতি

ইলা রানী ভৌমিক

সদস্য সচিব

মোছাঃ রাশিদা বেগম

বিদ্যুৎসাহী সদস্য

মোছাঃ সুরাইয়া বেগম

মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষক প্রতিনিধি

সমলা খাতুন

মেধাবী ছাত্র অভিভাবক সদস্য

মোঃ আঃ আলী

অভিভাবক সদস্য

নার্গিস বেগম

অভিভাবক সদস্য

মোছাঃ হনুফা বেগম

অভিভাবক সদস্য

১০

সাহিদা রহমান

শিক্ষক প্রতিনিধি

১১

মোঃ আঃ হামিদ

ইউপি সদস্য

সন

মোট শিক্ষার্থী

অংশগ্রহনকারী

পরীক্ষায় উত্তীর্ণ

পাশের হার

২০০৭

০৫

০৪

০২

৫০.০০%

২০০৮

০৬

০৪

০২

৫০.০০%

২০০৯

০৮

০৪

০৩

৭৫.০০%

২০১০

০৭

০৪

০২

৫০.০০%

২০১১

১২

১০

০৯

৯০.০০%

দুর্লভপুর সরকারী প্রথমিক বিদ্যালয়টি খালিয়াজুরী উপজেলার ভাল বিদ্যালয় গুলোর মধ্যে একটি। এ বিদ্যালয় হতে প্রতি বৎসর সমাপনী পরীক্ষায় ভাল করে আসছে। ভবিষ্যতে এ বিদ্যালয় থেকে বৃত্তি প্রাপ্তি, বিদ্যালয়টিকে  খালিয়াজুরী উপজেলায় একটি আদর্শ ও  শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠানে রুপান্তর করা। 

উপজেলা সদরের সাথে এ বিদ্যালয়ের যোগাযোগ ব্যবস্থা অত্যমত্ম অপ্রচলিত। শুকনা মৌসুমে হেটে ও বর্ষাকালে নৌকাই হচ্ছে একমাত্র যোগাযোগ ব্যবস্থা। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হলে এ বিদ্যালয়টির শিক্ষার গুনগতমান বৃব্ধি পাবে।


Share with :